ইকরম হোসেন | নির্বাহী সদস্য | ব্যালট নং ৩৯
আমার ইশতেহারসমুহ
ইশতেহার : ০১
রোজার দিনে ইফতারের ঠিক আগে, ১ নং গেইটে সিএনজি সংকট পড়ে, কারণ টা খুবই সহজ, ১নং থেকে যত সংখ্যক যাত্রী ক্যাম্পাসে আসতে চায়, তার তুলনায় খুব কম সংখ্যক'ই জিরো পয়েন্ট থেকে ১ নং গেইটে আসে, ইফতারের সময় হয়ে যাচ্ছে, সিএনজি নেই, টিউশনফেরত আমার মত বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে আছে, তখন শিক্ষক বাস খালি অবস্থায় ক্যাম্পাসে ঢুকছে এত করে রিকুয়েষ্ট করলাম উঠতে দেয়নি, তখন থেকেই চিন্তা করেছি, এই ক্যাম্পাসে তো জাতপ্রথা চালু নেই, তাহলেও কেন এভাবে করে দেখা হয় সবকিছুতেই?
যদি খালি বাসগুলোতেও আমাদেরকে আইডি কার্ড দেখানো সাপেক্ষে উঠতে দেওয়া হয়, এতে সমস্যা কি?
ইশতেহার ০২: জরুরি সেবাসমূহে (যেমন: অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস) জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করে লাইভ লোকেশন দেখার ব্যবস্থা করা
অ্যাম্বুলেন্স কেন্দ্রীক হয়রানিতে আমরা কম বেশি সবাই সাফার করেছি। ফোন দিলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরে সন্ধান মেলে অ্যাম্বুলেন্সের। অথচ ছোটখাটো সিস্টেমেটিক পরিবর্তন আনলেই এই সেক্টরে শিক্ষার্থীদের হয়রানি অনেকাংশেই লাঘব করা সম্ভব। ছোট্ট একটা জিপিএস ট্রাকার অনেকাংশেই পারে এই সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে।
ভোট ফর ইকরম - ব্যালট ৩৯
একজন নির্বাহী সদস্যের মূলত কাজ কি? একজন নির্বাহী সদস্যের প্রধান কাজ মূলত বিভিন্ন ধরনের অন্যায়, অনিয়ম ও দূর্নীতি যাতে না হয় সেদিকে নজর রাখা এবং শিক্ষার্থীদের রিপ্রেজেন্টেশন করা।
ভোট ফর ইকরম - ব্যালট ৩৯
আমি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সহশিক্ষামূলক, আত্মউন্নয়নমূলক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত আছি। বর্তমানে একটি কেন্দ্রীয় বিতর্ক সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি এবং এ বছরের ফ্ল্যাগশিপ থিম্যাটিক বিতর্ক কর্মশালার আহ্বায়ক হিসেবে প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে সফলভাবে আয়োজন করেছি। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমেও আয়োজক, প্রশিক্ষক ও বিচারক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।
আমার রাজনৈতিক চেতনার সূচনা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকেই। সেই থেকেই আমি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখি—শিক্ষার্থীর অধিকার রক্ষায় রাজনীতিকে সমালোচক ও পর্যবেক্ষক হিসেবে মূল্যায়ন করি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি—দল, মত, আদর্শের ঊর্ধ্বে আমাদের পরিচয় হলো আমরা সবাই শিক্ষার্থী। প্রত্যেকেই একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম সত্তা, যার অধিকার ও স্বাতন্ত্র্যকে মর্যাদা দেওয়া জরুরি।
প্রিয় ভাই-বোনেরা,
আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি। অথচ অনেক সময় আমরা রাজনৈতিক কারণেই আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হই। আমি সেই অভিজ্ঞতার সাক্ষী, আর সেখান থেকেই আমার পরিবর্তনের স্বপ্নের শুরু। আমি মোঃ ইকরম হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের (২১-২২ সেশন) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। আসন্ন চাকসু নির্বাচনে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে “নির্বাহী সদস্য” পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।
আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থী পরিচয়ের বাইরে আর কোনো পরিচয় আমাদের মূল নয়। আমরা সবাই স্বাধীন, সার্বভৌম। আমাদের অধিকারকে আমরা নিজেরাই আদায় করতে পারি—যদি আমরা একসাথে হই।
চলুন দল-মত-আদর্শের বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীর কণ্ঠকে শক্তিশালী করি।
আপনাদের আস্থা, সমর্থন ও দোয়া আমার জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি।
মোঃ ইকরম হোসেন
নির্বাহী সদস্য পদপ্রার্থী
ব্যালট নং- ৩৯